কলাপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান শিমু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন | আপন নিউজ

রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
মহিপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁ’জাসহ মা’দ’ক ব্যাবসায়ী আ’ট’ক নি’খোঁ’জে’র তিন দিন পর শিবচর থেকে কলাপাড়ার কৃষিবিদের ম’রদে’হ উদ্ধার মহাসড়কে মৃ’ত্যু’র মি’ছি’ল থামছেই না; তিন দিনে তিন প্রা’ণ ঝর’ল কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কে কলাপাড়ায় সেভেন ডিলাক্স বাসের চা’পা’য় মোটরসাইকেল আরোহী নি’হ’ত কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে বেপরোয়া বাসের চা’পা’য় ২ দিনে দুইজন নি’হ’ত তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বি’রু’দ্ধে জমি দ’খ’লে’র অভিযোগ বরগুনা-১ আসনে প্রতিক পেয়েই প্রচারে দুই প্রার্থী; দুই প্রার্থী নিরব কলাপাড়ায় জ্বালানি–বিদ্যুৎ খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি দফাদার নি’হ’ত, বাবা গুরু’ত’র আ’হ’ত ডাকসুর মতো ১২ তারিখ ট্রাকের বিজয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে- নুরুল হক নুর
কলাপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান শিমু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান শিমু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এস এম আলমগীর হোসেনঃ
 
কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান ক্কোকা’র পক্ষে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি মোঃ জুলহাস মোল্লা মোল্লা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্য হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো, সম্মানীত সাংবাদিকবৃন্দ। আচ্ছালামু আলাইকুম।
কলাপাড়ার ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের শিক্ষা প্রশিক্ষন ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু”র বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল মিথ্যা মামলা দিয়ে অহেতুক হয়রানী ও মান সম্মানের হানি ঘটানোর জন্য কতিপয় লোকজন অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিল করার জন্য চেয়ারম্যান হওয়ার পর হইতেই তাহার জনপ্রিয়তা বিনষ্ট করার জন্য পায়তারা করিয়া আসিতেছে। তারই ধারা বাহ্যিকতায় গত ২৯/১১/২০২০ ইং তারিখ কলাপাড়া থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়া “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু”র দীর্ঘ জীবনের রাজনীতির সুনাম বিনষ্ট করার জন্য গ্রেফতার করে। কুচক্রি মহল মামলায় উল্লেখ করে যে, চেয়ারম্যান “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু” মুক্তিযোদ্ধা শাহআলমের নিকট হইতে চাঁদা দাবী করিয়াছে এবং চাঁদা না দেওয়ায় তাহাকে মারধর করিয়াছে। যাহা সম্পূর্ন সাজানো ও বনোয়াট বটে। কারণ “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু” মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন সন্তান। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তিনি বিশ্বাসী। তার দাদা মরহুম সৈয়দ আবুল হাসেম সাহেব একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এম.সি.এ। তাহার বাবা সৈয়দ আখতারুজ্জামান কোক্কা বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি কখনও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে এমন কাজ করতে পারে না। কেবলমাত্র অহেতুকভাবে সমাজে হেও প্রতিপন্ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় লিপ্ত হইয়া একদল লোক ফায়দা লোটার জন্য তাহার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়াছে।
কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা, তালতলী জাকিতুব দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ সাইফুল্লাহ হাওলাদারের ছেলে হোন্ডা চালক মোঃ মিরাজ হাওলাদারের কাছে ১নং চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হওলাদার ও তাহার ছেলে বেশ কিছুদিন যাবৎ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে এবং চাঁদা না দিলে রাস্তায় হোন্ডা চালাতে দিবেনা বলে জানায়। গত ২৯/১১/২০২০ ইং তারিখ রোজ বরিবার বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় চাঁদার টাকার দাবীতে চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের হুকুমে তাহার ছেলে হাসিব হাওলাদার দলবল নিয়ে অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া অস্ত্রের মহড়া দিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক সাইফুল্লাহর বসত বাড়ীতে গিয়ে ঘরের বেড়া, দরজা, জানালা ভাংচুর করিয়া মিরাজকে খুজতে থাকে এবং মিরাজের পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করিয়া চলিয়া আসিতে থাকাবস্থায় তারিকাটা বাজারে মিরাজকে দেখিতে পাইয়া মিরাজের প্লাটিনা হোন্ডাখানা ভাংচুর করিয়া মিরাজকে টানা হেচরা করিয়া পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা বিসমিল্লাহ ব্রিক ফিল্ডে নিয়া যায়। ব্রিকফিল্ডে নিয়ে ছোট্ট একটি অফিস কক্ষে মিরাজকে অবরুদ্ধ করে ছেনা, ইট, রড দ্বারা কুপিয়ে, পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং উক্ত কাজে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহআলম (৬৩) প্রকাশ্যে ও পরোক্ষ্য ভাবে সহযোগীতা করেন। কারণ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহআলম চেরাম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদারের সাজানো পুতুল। পরে স্থানীয় লোকজন মিরাজকে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষনিক শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন। এই ঘটনায় মিরাজের বাবা কলাপাড়া থানায় মামলা করিতে আসিলে শত্রæপক্ষের লোকজন দ্বারা প্রবাবিত হইয়া মামলা গ্রহন না করায় বিলম্বে গত ০২/১২/২০২০ ইং তারিখে চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদারকে প্রধান আসামী করে মোকাম পটুয়াখালী আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আদালতে ১০১/২০২০ নং একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মিরাজ ও মিরাজের পরিবার নিরাপত্তহীনতায় ভোগিতেছে। মিরাজের ঘটনাকে ধামা চাপা দেওয়ার জন্য ১নং চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদারের বাহিনীর লোকজন নিজেরাই মুক্তিযোদ্ধা শাহআলমকে মারধর করে “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু” জড়িত করে এই মিথ্যা মামলা আনায়ণ করে। এই ঘটনার সাথে টিয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু” কোন ভাবেই জড়িত নহে এবং একজন চেয়ারম্যান নিজে কখনও উপস্থিত থেকে চাঁদার জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর করতে পারে না। পরিবেশ অধিদপ্ত থেকে ০৬/০২/২০১৯ খ্রিঃ থেকে মেসার্স বিসমিল্লাহ ব্রিক্স অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে। এছাড়াও অবৈধভাবে বিসমিল্লাহ ব্রিক্সের কার্যক্রম চলিয়ে যাচ্ছে। যাহার স্বত্ত্বাধিকারী জনাব মোঃ মতিউর রহমান। যেখানে মালিক বিসমিল্লাহ ব্রিক্স এর মালিক মতিউর রহমান, সেখানে মুক্তিযোদ্ধা শাহআলমের কাছে কোন ভাবেই চাঁদা দাবী করতে পারে না। এই ঘটনার সাথে চেয়ারম্যানকে জড়িত করায় আমরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।
গত ০১/১২/২০২০২ইং তারিখ চেয়ারম্যান “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু”কে নিয়ে যে মানব বন্ধন করা হয়েছে, তাহার মূল উদ্দেশ্যে ছিল উপজেলা নির্বাচনের প্রতিহিংসা। চেয়ারম্যান “সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু” জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি সুষ্ঠু ও সুন্দার ভাবে ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। আজও পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের ত্রান সামগ্রী বিতরন নিয়ে কোন বির্তকের সমূখীন হননি। বিশ্বব্যপী মহামারী করোনা ভাইরাস সময় কালীন নিজস্ব অর্থায়নে এলাকার সকল পেশার জনগনকে প্রায় ১৪০০ পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ ও খাবার পৌছে দিয়েছেন। টিয়াখালী ইউনিয়ন বাসী তাহার পাশে আছে, তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরে এলাকার হাজার হাজার জণগন তাহার মুক্তির দাবীতে রাস্তায় বিক্ষোপ মিছিল করেন। ২০১৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ২নং টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হয়ে জণগনের সেবা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলা ও বঙ্গবন্ধু’র সোনার বাংলা বাস্তাবায়নের লক্ষ্যে একান্ত সৈনিক হয়ে জনগনকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই জণপ্রিয়তা ও দক্ষতাকে জড়ার্জীর্ণ করার জন্য ভদ্রতার আরালে কিছু মুখোশধারী কুচক্রি মহল তাকে মিথ্যা মামলায় জরিয়েছে।
আপনাদের সকল সাংবাদিক ভাইয়েরা দৃষ্টি আকর্ষন করছি যে, আপনারা আমার সাংবাদিক সম্মেলনের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উৎঘটন এবং টিয়াখালী ইউনিয়নের সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে বিষয়টি স্ব-স্ব পত্রিকায় প্রকাশ করার জোর অনুরোধ করছি এবং আপনাদের ও প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার সহ মুক্তি দাবী করছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য ফিরোজ শিকদার, টিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা: হাবিবুর রহমান, সাধারন সম্পাদক গাজী হুমায়ুন কবির, সহ সভাপতি বসার শিকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিক তালুকদার, পৌর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রকি, ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সভাপতি হিরন, ইউপি সদস্য সোবাহান বিশ্বাস, সৈয়দ মোফাজ্জেল হোসেন, ইব্রাহিম মিয়া, আলামিন, ইসমাইল, ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া হাওলাদার আবির প্রমূখ।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!